1. admin@sobsomoyerkhobor.com : admin :
গুলশান,বনানী, বারিধারায় বাড়ছে হোল্ডিং ট্যাক্স: মেয়র – সব সময়ের খবর
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

গুলশান,বনানী, বারিধারায় বাড়ছে হোল্ডিং ট্যাক্স: মেয়র

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ৬৫ বার পঠিত

গুলশান,বনানী, বারিধারায় বাড়ছে হোল্ডিং ট্যাক্স: মেয়র

মোঃ রাসেল সরকার//আগামী জুলাই থেকে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারায় হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ছে; ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন বর্গফুট অনুযায়ী ভাড়া আরও ৩৩ শতাংশ বেশি ধরা হবে।

বুধবার ডিএনসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তিনি।

তিনি বলেন, ঢাকায় এখন ২০০৮ সালের বাড়ি ভাড়ার হার অনুযায়ী প্রতি বর্গফুটের ভাড়া ১৮ টাকা হিসাব করে সেটির ওপর হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা হচ্ছে। জুলাই থেকে বর্গফুট অনুযায়ী ভাড়া আরও ৩৩ শতাংশ বেশি ধরা হবে।

“এই রেট অনেকদিন ধরে চলে আসছে। এখন অভিজাত এলাকার বাড়িভাড়া এত কম নয়। এজন্য আমরা তা সমন্বয় করব। প্রতি বর্গফুট ১৮ টাকা থেকে ৩৩ শতাংশ বাড়িয়ে ২৪ টাকা ধরা হবে। প্রতি বর্গফুট ২৪ টাকা হিসাব করে যা ভাড়া আসবে তার ওপর ১২ শতাংশ হবে হোল্ডিং ট্যাক্স।”

এর আগে ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম এক সেমিনারে অভিজাত এলাকায় হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোসহ গ্যাস ও পানির দাম বাড়াতে সিটি করপোরেশনের কাছে প্রস্তাব করেছিলেন। ওই সেমিনারে মেয়র আতিকও উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার হোল্ডিং ট্যাক্সের অটোমেশন কার্যক্রম উদ্বোধন করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল আগের প্রস্তাবের কথা আবার তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, রাজধানীতে হোল্ডিং ট্যাক্স, পানি, গ্যাস বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সেবার জন্য অঞ্চলভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। নাগরিক সেবা সহজ এবং হয়রানি মুক্ত করতে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে।

“গুলশান-বনানী-বারিধারার মতো অভিজাত এলাকা এবং যাত্রাবাড়ীর পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য ইউটিলিটিক্যাল সার্ভিসের চার্জ যদি সমান হয় তাহলে সবাই তো অভিজাত এলাকায় থাকতে চাইবে। কেউ তো যাত্রাবাড়ী বা কম সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এলাকায় থাকবে না। তাই জোনভিত্তিক সার্ভিসের মূল্য নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি।”

অটোমেশন কার্যক্রমের ফলে কর আদায়ে ভোগান্তি ও দুর্নীতি নিয়ে নাগরিকদের অভিযোগ কমে আসবে আশা করে মেয়র আতিক বলেন, ট্যাক্স কালেক্টররা অসততা করেন, মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করেন।

“তারা কারও বাসায় যাওয়ার সময় একটা ফিতা নিয়ে যায়। ওইটা দেখেই লোকজন বলে দেয় ‘নেগোসিয়েশনে আসেন’, এটাই বাস্তবতা।“

‘আকাশে যত তারা, ট্যাক্সে তত ধারা’ মন্তব্য করে মেয়র বলেন, তারা জুজুর ভয় দেখিয়ে মানুষকে হয়রানি করে। ১০ জনের কাছ থেকে ট্যাক্স নেন, আটটি মানি রিসিট সিটি করপোরেশনকে দেন- দুটি দেন না। এমন হাজারো ঝামেলা আমি দেখছি।”
ডিএনসিসি এলাকায় ২ লাখ ৭৭ হাজার করদাতা আছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জসিম উদ্দিন, নগর গবেষণা কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বিজিএমইএর সহসভাপতি শহীদুল আজিম, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজাসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © সব সময়ের খবর ©
Theme Customized By Shakil IT Park