1. admin@sobsomoyerkhobor.com : admin :
পুলিশ ও স্থানীয় নেতাদের চাঁদাবাজি বন্ধে ডিএমপি কমিশনারের কঠোর নির্দেশনা – সব সময়ের খবর
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

পুলিশ ও স্থানীয় নেতাদের চাঁদাবাজি বন্ধে ডিএমপি কমিশনারের কঠোর নির্দেশনা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৪১ বার পঠিত

পুলিশ ও স্থানীয় নেতাদের চাঁদাবাজি বন্ধে ডিএমপি কমিশনারের কঠোর নির্দেশনা

মোঃ রাসেল সরকার//ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিভিন্ন থানায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। সম্প্রতি ডিএমপি’র মাসিক অপরাধ বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় তিনি উল্লেখ করেন, কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ বা মাসোহারা নেন বলে তার কাছে অভিযোগ এসেছে।

কারও বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার চাকরি ‘ডিসমিস’ করে দেওয়া হবে বলে সভায় হুঁশিয়ারি করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার। একইসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও সতর্ক হয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

ডিএমপি’র একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন থানা এলাকায় বাজার কিংবা মার্কেটে ব্যবসায়ী সমিতি রয়েছে। এসব সমিতি বা অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তার নিয়মিত মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশি সেবার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট অঙ্কের মাসোহারা নিয়ে থাকেন। কেউ মাসোহারা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই বাজার বা মার্কেটকেন্দ্রিক বিভিন্ন আইনি সহায়তা বা হয়রানির অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের আগেই হুঁশিয়ারি করে দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। এরপরও কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে সর্বোচ্চ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি কমে এলেও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ভিন্ন কৌশলে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে নিচু জমি ভরাট এবং কোনও এলাকায় ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হলেই তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় উপকরণ (ইট, সিমেন্ট, বালি ইত্যাদি) কিনতে বাধ্য করেন তারা। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি সেসব মেনে না নিলে তাকে বা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি করা হয়। রাজধানী ছাড়াও আশেপাশের এলাকায় এই কৌশলেই চাঁদাবাজি চলছে।

রাসেল নামে একজন ভুক্তভোগী জানান, কদমতলীর পাশে প্রায় ৩০ বছর আগে তার বাবা কয়েক কাঠা নিচু জমি কিনেছিলেন। সম্প্রতি সেই জমি অজ্ঞাত ব্যক্তিরা বালু দিয়ে ভরাট করছিল। পরে জমির মালিক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বালু ভরাটের বিনিময়ে একরকম জোরপূর্বক নিজেদের মতো করে দর বসিয়ে অর্থ নেয়। সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের টাকা দিতেও বাধ্য হন।

এসব ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে ডিএমপি কমিশনার স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের চাঁদাবাজির বিষয়ে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানালে মামলা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় থানার ওসি’দের উদ্দেশে তিনি আরও উল্লেখ করেন, মামলা না নেওয়ার বিষয়ে কেউ রাজনৈতিক প্রভাব খাটাতে চাইলে তার নির্দেশনার কথা জানাতে বলেছেন। এক্ষেত্রে কোনও ছাড় না রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © সব সময়ের খবর ©
Theme Customized By Shakil IT Park