1. admin@sobsomoyerkhobor.com : admin :
মাদক ব্যবসা চালাতে বাবার নামে ‘মাজার – সব সময়ের খবর
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগ লুটেরচর ইউনিয়ন শাখার কর্মী সভা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী’র ৫৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ’র শ্রদ্ধা নিবেদন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রাইভেট কার চাপায় নিহত বিএনপির সমাবেশে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলেন জনাব কাইয়ুম হোসাইন। ১ কোটি ২০লক্ষ টাকা মুল্যের কোষ্টি পাথর উদ্ধার করেছে জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসারঃ তালা মার্কার জয় নিশ্চিত করতে ভাইস চেয়ারম্যান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সহ অনেকেই। ডামুড্যায় পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় বিট পুলিশিং সভা ইতালির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি!

মাদক ব্যবসা চালাতে বাবার নামে ‘মাজার

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৫৪ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ/রাজধানীর হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি এলাকায় ভ্যানে করে কাপড় আর ফুল বিক্রির আড়ালে মো. আব্দুল্লাহ মনির ওরফে পিচ্চি মনির ইয়াবা চালান করতো বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, কক্সবাজার ও টেকনাফের মাদক চোরাচালানকারী চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে তিনি। একইসঙ্গে জানান, সম্প্রতি শরীয়তপুরে বাবা চাতক শাহ স্মরণে একটি মাজার নির্মাণ করে নিজেকে অন্য পরিচয়ে উপস্থাপনের চেষ্টাও করছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ থানা এলাকার মধুবাজারের একটি ফ্ল্যাট থেকে পিচ্চি মনির ও তার সহযোগীক গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২। এ সময় তাদের থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৮,৭৭০ পিস ইয়াবা, ৬ গ্রাম আইস এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) কারওয়ান বাজার র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান।

খন্দকার আল মঈন বলেন, পিচ্চি মনিরের পরিবার জীবিকার সন্ধানে ১৯৯৫ সালে ঢাকায় চলে আসে এবং লালবাগের শহীদনগর এলাকায় বসবাস শুরু করে। বাবার ফলের ব্যবসায় সহায়তা করত মনির। একসময় সে এলাকার বখে যাওয়া ছেলেদের সঙ্গে যোগ দিয়ে চুরি, ছিনতাই শুরু করে। ধীরে ধীরে সে এলাকার বখাটেদের নিয়ে লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় একটি অপরাধ চক্র গড়ে তোলে। এই চক্রটি ব্যবহার করে সে মাদক ব্যবসা শুরু করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ২০১২ সাল থেকে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সে ও তার জনৈক বন্ধু মাদক ব্যবসায় জড়িত হয়। প্রথমে স্থানীয় মাদক ডিলারদের কাছ থেকে অল্প করে মাদকদ্রব্য কিনে মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করত। ২০১৬ সালে কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার মাদক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।

এরপর টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে তার কাছে নিয়মিত ইয়াবা আসত। মাঝে মধ্যে সে ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা ঢাকা থেকে কক্সবাজার গিয়ে মাদকের চালান নিয়ে আসত। মূলত তারা মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করত। শতকরা ২০ শতাংশ হারে অ্যাডভান্স পেমেন্টের মাধ্যমে ইয়াবা ঢাকায় আনা হত।

মাদকের ডেলিভারি ও লেনদেন মনিরের ভাড়া বাসায় বা সুবিধাজনক স্থানে সম্পন্ন হত। মনির ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় ভাড়াটে হিসেবে ছদ্মবেশে মাদকের কারবার করত।

মনির আরও জানায়, সে প্রতি মাসে কয়েকটি চালান টেকনাফ, কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আনত। মিরপুর-১৩, ইসলামবাগ, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, আজিমপুরসহ আরও কয়েকটি স্থানে খুচরা ব্যবসায়ীদের মাদক সরবরাহ করত। প্রত্যেক খুচরা বিক্রেতার জন্য ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল ফোন ব্যবহার করত।

কৌশলগত কারণে খুচরা বিক্রেতাদের কারও সঙ্গে কারও যোগাযোগ ছিল না। কেউ কাউকে চিনত না। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। সে এক একটি এলাকায় এক-দুই বছরের বেশি অবস্থান করত না। সে শরীয়তপুরে নিজের বাড়িতে কোটি টাকার স্থাপনা নির্মাণ করেছে। সে তার বাবার নামে এলাকায় একটি মাজার নির্মাণ করছে।

র‌্যাব জানায়, মনির ২০১৮ সাল থেকে অস্ত্র ব্যবসা শুরু করে। সে ২০১৮ সালে অবৈধ পিস্তলসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং ৭ মাস কারাগারে থাকে। পরে ২০২০ সালে সে অস্ত্র ও মাদক মামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়।

এ সময় সে এক বছর কারাগারে ছিল। তার নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত তিনটি মামলা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © সব সময়ের খবর ©
Theme Customized By Shakil IT Park