1. admin@sobsomoyerkhobor.com : admin :
যাত্রীবান্ধব নৌপথের জন্য সদরঘাট-গুলিস্তান ‘সরাসরি’ সড়ক চায় বিআইডব্লিউটিএ – সব সময়ের খবর
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগ লুটেরচর ইউনিয়ন শাখার কর্মী সভা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী’র ৫৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ’র শ্রদ্ধা নিবেদন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রাইভেট কার চাপায় নিহত বিএনপির সমাবেশে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলেন জনাব কাইয়ুম হোসাইন। ১ কোটি ২০লক্ষ টাকা মুল্যের কোষ্টি পাথর উদ্ধার করেছে জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসারঃ তালা মার্কার জয় নিশ্চিত করতে ভাইস চেয়ারম্যান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সহ অনেকেই। ডামুড্যায় পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় বিট পুলিশিং সভা ইতালির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি!

যাত্রীবান্ধব নৌপথের জন্য সদরঘাট-গুলিস্তান ‘সরাসরি’ সড়ক চায় বিআইডব্লিউটিএ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৭৫ বার পঠিত

যাত্রীবান্ধব নৌপথের জন্য সদরঘাট-গুলিস্তান ‘সরাসরি’ সড়ক চায় বিআইডব্লিউটিএ

ডেস্করিপোর্টঃ
গুলিস্তান থেকে সদরঘাট উড়াল বা পাতাল সড়ক নির্মাণ করে ‘সরাসরি’ যোগাযোগের ব্যবস্থা হলে রাজধানীতে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা নৌপথমুখী হবে; এতে সময় বাঁচবে অর্থও সাশ্রয় হবে।

এমন একটি প্রস্তাব করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জরুরিভিত্তিতে ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাটের সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার তাগিদ দিয়েছে।

যাত্রী ভোগান্তি দূর করতে সদরঘাট ও পুরান ঢাকার পাইকারি বাজার অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সুপারিশও উঠে এসেছে সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে।

এতে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার প্রাচীন এ নদীবন্দরের সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেছে সংস্থাটি, যা সম্প্রতি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন বিভাগ) কাজী ওয়াকিল নওয়াজ ঢাকা নদীবন্দরকে যাত্রীবান্ধব করতে সংস্থার বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, আমাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত আন্ডারপাস বা ফ্লাইওভার নির্মাণ করার সুপারিশ রয়েছে। এসব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে নদীবন্দরটি আরও গতিশীল হবে।

ইতিমধ্যে যাত্রী সুবিধার জন্য অঞ্চলভেদে লঞ্চ ছাড়ার ঘাট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনে সুবিধা বাড়াতেও কাজ করা হচ্ছে। পণ্য অনুযায়ী আলাদা ঘাট নির্ধারণ করা হয়েছে।

নদীবন্দরের সামনের রাস্তাটি প্রশস্ত করার পাশাপাশি পার্কিং ইয়ার্ড করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

সদরঘাট থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ১৫০টি ডাবল ডেকার লঞ্চ দেশের দক্ষিণ, দক্ষিণ- পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে ছেড়ে যায় এবং সমপরিমাণ লঞ্চ ফিরে আসে।

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেওয়া বিআইডব্লিউটিএর প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বন্দর দিয়ে সারাদেশে প্রতিদিন লক্ষাধিক যাত্রী চলাচল করেন এবং প্রচুর পণ্য নৌপথের পরিবহন হয়ে থাকে। দিনের অন্য সময়ে অন্যান্য রুটের পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত এক ঘন্টা পর পর চাঁদপুর নদী বন্দরের উদ্দেশ্যে বড় নৌযান চলাচল করে।

এছাড়া নিম্নবিত্ত কর্মজীবী মানুষের একটা বড় অংশ সদরঘাটের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীর উভয় পাড়ে বসবাস করেন, যাদের বড় অংশ নৌকায় করে বন্দর দিয়ে সহজে ও স্বল্পসময়ের মধ্যে যাতায়াত করেন। সড়কপথে যানজট, ফেরি সংকটসহ নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও নৌপথে এ ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকায় দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নৌপথ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

অথচ সদরঘাটের সামনের রাস্তা কম প্রশস্ত হওয়ায় সেখানে ‘প্রচণ্ড যানজট সৃষ্টি হয়’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নদীবন্দরে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধাও নেই। ফলে মালবাহী ট্রাক ও যাত্রীদের ব্যক্তিগত গাড়ি যত্রতত্র পার্কিংয়ের ফলে যানজট আরও বাড়ে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক সমস্যার পরও এ বন্দরের টার্মিনালে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন আগের তুলনায় বহুগুণে বেড়েছে। লঞ্চেও বিভিন্ন শ্রেণির আসন যুক্ত করায় সব শ্রেণি পেশার মানুষ নিয়মিত লঞ্চে যাতায়াত করছেন।

এমন প্রেক্ষাপটে সদরঘাটের সঙ্গে যাতায়াতে যেসব রাস্তা ব্যবহার করা হয়, সেগুলোতে প্রায় সবসময় যানজট লেগে থাকে। আবার ঘাটের আশেপাশে বিভিন্ন পাইকারি বাজার থাকায় এসব এলাকায় ব্যবসায়িক কাজেও প্রচুর মানুষ আসা-যাওয়া করেন। ফলে সদরঘাটকেন্দ্রীক যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ফলে নৌযান যাত্রীদের প্রতিদিনই যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদরঘাট টার্মিনাল, শ্যামবাজার থেকে সদরঘাট টার্মিনাল এবং বাবু বাজার ব্রিজ থেকে সদরঘাট টার্মিনাল পর্যন্ত রাস্তার বেশিরভাগ জায়গা হকার, ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী, ও অলস যানবাহন রাখার ফলে যাতায়াতে ‘চরম’ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা, যা ঈদের সময় কয়েকগুণ বাড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার জন্য সদরঘাট ও পুরান ঢাকার পাইকারি বাজার অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া যেতে পারে প্রতিবেদেন বলেছে বিআইডব্লিউটিএ।

সংস্থার পরিচালক ওয়াকিল নওয়াজ বলেন, “রাস্তা প্রশস্ত করা ছাড়া ওই এলাকার যানজট দূর করা যাবে না। সেজন্য কিছু কাজ চলছে।”

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নদী বন্দরের বাম পাশে শ্মশানঘাট থেকে অত্যাধুনিক টার্মিনাল ঘাট নির্মাণ বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়ন হবে। ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ: দ্বিতীয় পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঢাকার চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সীমানা পিলার, বিনোদন পার্ক, নির্মাণ করার কার্যক্রম চলছে।

এছাড়া ‘আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ বিশেষ ধরনের পন্টুন নির্মাণ’ শীর্ষক আরেক প্রকল্পের আওতায় নৌযানে যাত্রীদের সহজে ওঠানামা এবং নৌপথে নৌযানের সহজ বার্থিংয়ের সুবিধার্থে ২১টি পন্টুন ও ২১টি গ্যাংওয়ে জেটি এবং দৃষ্টিনন্দন বুকিং কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনায় আরও পন্টুন স্থাপন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর প্রস্তাবের বিষয়ে সংসদীয় কমিটির সদস্য এস এম শাহজাদা বলেন, “বর্তমান জায়গা থেকে সদরঘাট সরিয়ে নেওয়ার একটা পরিকল্পনা সরকারের আছে। সেটা বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তখন এখনকার যানজট আর থাকবে না। আর বিআইডব্লিউটিএ যে প্রস্তাব দিয়েছে, সেটা একটা প্রস্তাব, বিবেচনা সরকারের। এটাতো আর বিআইডব্লিউটিএ করবে না। তাদের কাজও নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © সব সময়ের খবর ©
Theme Customized By Shakil IT Park